Category: golpo

Auto Added by WPeMatico

ফিউচার অ্যাটাক

কিন্তু কাজে নেমে আমরা টের পেলাম, ২০৩০ সালের পর মানুষের ব্রেন আর বিকশিত হয়নি। এর কারণ হলো, মানুষ তখন কেবল ফেসবুকে ছবি দেওয়া আর যা-তা ভিডিও বানানোয় ব্যস্ত হয়ে যায়।

মাকড়সা

ঘরে আলো-আঁধারের খেলা। মুখোমুখি বসেছে সামিয়া আর নাককাটা মিজান। ঠিক যেমনটা সিনেমায় দেখা যায়। বেশির ভাগ সময় এই ঘরটা অবশ্য খালিই থাকে। আসামিদের মেঝেতে বসিয়ে ‘আপ্যায়ন’ করা হয়।

ঝড়ের রাত

শুধু এটুকু বলি, অযথা খুঁজতে যাবেন না লাকট্রোপকে। একেবারে আধুনিক কোনো মানচিত্রেও পাওয়া যাবে না শহরটাকে।

গতিময়

শুরু হয়ে গেছে! কোনো ধরনের ঝাঁকুনি ছাড়াই? কান পাতলাম বাতাসে। চাপা একটি গুঞ্জন ছাড়া আর কোনো আওয়াজ আসছে না কানে। সীমাহীন বিস্ময়ে অস্বীকার করতে ইচ্ছা করল বাস্তবতাকে।

মায়ের জন্য অপেক্ষা

তাসমিয়া আবার ঘড়ির দিকে তাকাল। পাঁচটা বেজে এক মিনিট। আম্মুর আসার সময় হয়ে গেছে। তাসমিয়া গিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল। এই বারান্দা থেকে বাসার সামনের রাস্তার খানিকটা দেখা যায়। এদিক দিয়েই আসবেন ওর আম্মু।

আজবগড়ের আজব বিজয়

এই রাজকন্যা-রাজপুত্রের সঙ্গে রাজ্যের সবারই খুব সুখে–শান্তিতে দিন কাটছিল। কিন্তু একদিন গভীর রাতে রাজ্যের এক ঝিলের তলে এসে নামল ভিনগ্রহবাসীদের এক ফ্লাইং সসার।

সেতু এবার এসএসসি দেবে

মা তখন চুলায় ব্যস্ত। মিষ্টি পাকনপিঠার কাঁই কাপে করে তেলের ওপর দিচ্ছে। ছ্যাঁতছোঁত শব্দ হচ্ছে। ভাজতে ভাজতেই বলল, কেন কোন রাজকার্য ফেলে এসেছেন আপনি? একেবারে স্কুলের ড্রেসটা পর্যন্ত পাল্টানোর সময় পাচ্ছেন না?

ভাগ্য কীভাবে বদলায়

হঠাৎই একটা অভিনব দৃশ্য চোখে পড়ল সবার। বিড়ালটা চোখের পলকে একটার পর একটা ইঁদুর মেরে ফেলছে। চলছে লাফঝাঁপ। সে এক দুর্দান্ত খেলা বটে! সবাই অবাক হয়ে দেখছেন এই কাণ্ড। আশ্চর্য ব্যাপার

ৎহি অথবা তহি

চুপিচুপি বাসায় ঢুকল রায়হান। আজ বাসাটা কেমন নিশ্চুপ লাগছে। সাধারণত রায়হান যখন কোনো অপরাধ করে, তখন একটা বড় ঝড় অপেক্ষা করে তার জন্য। বাসা এ রকম নিশ্চুপ হয়ে যায়। গম্ভীর হয়ে যায় মা-বাবা। কথা বলে শীতল স্বরে। আর দীপার মুখে দেখা যায় মুচকি হাসি।

শীতের অতিথি

হাত-মুখ ধুয়ে তানহা গরুর মাংসের ভুনা আর মানহা শর্ষের ভর্তা দিয়ে খেতে শুরু করল। চুলা থেকে চিতই নামাতে নামাতে নানু বলেন, ‘কাল সকালে আলসেমি করে ঘুমালে চলবে না। না হয় ভাপা পিঠা খাবে কেমন করে?’